মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

জেলার পটভূমি

 

পটুয়াখালী জেলায় গঠনকারী এলাকা  প্রাচীন রাজত্ব  চন্দ্রদীপ এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল. বাউফল উপজেলার কচুয়া এই রাজত্বের রাজধানী ছিল. উপকূলবর্তী অঞ্চল এবং ঘন ঘন পত্বুগীজ  এবং মগদের আক্রমনে ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে রাজধানী বরিশালে মাধবপাশায় স্থানান্তর করা হয়. রাজা টোডারমল, সম্রাট আকবরের মন্ত্রী, ১৫৯৯ সালে কানুনগো জিম্মক খানকে এলাকা জরিপ করতে পাঠান । চন্দ্রদীপ এর বন এলাকা চন্দ্রদীপ থেকে পৃথক হয়ে বাজুহা`বা সুরক্ষিত অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেলিমাবাদ, বাজুগ উমেদপুর এবং উরানপুরে তিনটি পরগনা তাহলে এই অঞ্চলে গঠন করা হয়।আরাকান এর বৌদ্ধ রাখাউনরা অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষে বর্মী রাজার নৃশংসতার পলান করে গলাচিপা,খেপুপাড়া,কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকটা এবং রাঙ্গাবালী বিভিন্ন দীপে বসবাস করা শুরু করে । তারপর থেকে এই অঞ্চলে মানুষের বসতি বৃদ্ধি পেতে থাকে।

 

 ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি গ্রামে গেরিলা যুদ্ধে ৩ জন পাক সেনা নিহত হয় । 8 মে তারিখে পাক বহিনী চিকানী কান্দি ও ডাকুয়া নামে হামলা করে ২৯ জন গ্রাম বাসিকে হত্যা করে বিভিন্ন ঘর বাড়ি ও স্থাপনা ধংস করে । মির্াজগঞ্জ উপজেলার প্রান্তে পাকিস্তান বহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংঙ্ঘষে একজন কমান্ডারসহ ৩২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন । বাউফল উপজেলার কালিশুরীর কুমারখালী নদীর তীরে অপর একটি খন্ড যুদ্ধ সংগঠিত হয় । মদনপুরা ও ধুলিয়াতে পাকিস্তান বহিনী ৩৫ জন গ্রাম বাসিকে গুলি করে হত্যা করে এবং ধংসযজ্ঞ চালায়।